মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

ভাষা ও সংষ্কৃতি

শিবচর উপজেলার ভাষা ও সংস্কৃতি

 

         শিবচর উপজেলা মূলতঃ পদ্মা আড়িয়াল খা নদী  বিধৌত পলি সঞ্চয়ের উপর ভিত করে দাড়িয়ে আছে; বহু পুরাকাল হতে । গোয়ালন্দ(রাজবাড়ী) ও কলিকাতা শহরের যোগসুত্র স্থাপনের ক্ষেত্রে মধ্যমণিরম্নপে স্টীমার সংযোগ স্থল এ’’ শিবচর। দেশী বিদেশী পর্যটক, ব্যবসা কেন্দ্র, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ইত্যাদি পুরোনো সভ্যতার নিদর্শন ও নির্দেশকরম্নপে মলিনতার ছাপ জড়িয়ে রেখেও আজও সগৌরবে মহীয়ান। শতাব্দী  প্রাচীন বিদ্যালয়, মসজিদ, মন্দির আজও তার সাক্ষ্য বহন করে চলেছে।

 

        পালাক্রমে সংস্কৃত ভাষার টোল শিক্ষা পদ্ধতি, আরবী ও পারসী ভাষার মক্তব, খাঁটি বাংলার শব্ধ সম্ভার তৎসম ও তৎভব শব্দের সম্ভার আজও প্রচলিত। তাছাড়া আঞ্চলিক ভাষাও ঐতিহাসিক ও ভৌগলিক কারনে(পর্যটন ও ব্যবসাসূত্রে) কিছুটা হলেও স্থান পেয়েছে।এক কথায় ভাষার দিক হতে সুদুর কলিকাতার চলিতরম্নপ, ধর্ম প্রচার ও প্রসারণের ক্ষেত্রে আরবী ও পারসী, ইংরেজদের বদৌলতে ইংরেজী শব্দের সম্ভার ও দেশজ শব্দ মিলে মিশে একাকার হয়ে নির্দিষ্ট কোন সীমার গন্ডতি বাঁধা পড়েনি।

      

          সংস্কৃতি বলতে প্রথমত সনাতনী সংস্কৃতির(হিন্দুদের) উদ্ভব ঘটে। পরবর্তীতে হাজী শরিয়তুল্লাহ (রঃ) আমল হতে ইসলামী ভাবধারায় অনুপ্রানিত হয়ে এ অঞ্চলে ইসলামী সংস্কৃতির উন্মেষ ঘটে। এখানে জটিল সংস্কৃতির আত্বপ্রকাশের আশংকা থাকলেও তা ঘটেনি বরং যাঁর যাঁর চলার পথকে স্ব-স্ব উদ্যেগে মসৃন রেখে এগিয়ে চলছে। কমতি বা ঘাটতি নেই ইসলামের সুমহান আদর্শের সুফীবাদের, ভাটা পড়েনি সনাতন মতালম্ভীদের  বিভিন্ন মত ও পথের। ভীরম্নতা, নিচুতা, কাপুরম্নষতা অবাঞ্চিত উপদ্রপ শিবচরের সাংস্কৃতিকে এতটুকুও টলাতে পারেনি। নাটক, যাত্রা, কীর্তণ, কবিগান যেমন চলছে তেমনি তাবলিক জামাত, পবিত্র ওরশ শরীফের ক্রমাগত বিসত্মৃতি ঘটছে। নেই সংঘাত, আছে শুধু সম্পৃতির মেল বন্ধণ সেতু।

ছবি


সংযুক্তি