মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

মুক্তিযুদ্ধে শিবচর

মুক্তিযুদ্ধেশিবচর

 

       ১৯৭১সালের৭মার্চরেসকোর্স ময়দানে বং্গবন্ধুর বজ্রকন্ঠে স্বাধীনতা ঘোষনার পরোক্ষ উচ্চারনের সাথে সাথে সারা দেশের ন্যায় শিবচর প্রস্তুত হতে থাকে চুড়ান্ত যুদ্ধের জন্য।২৬ মার্চ ১৯৭১ সরাসরি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হলে শিবচরের দামাল ছেলেরা ঐতিয্যবাহী নন্দকুমার ইনিষ্টিটিউটে একত্রিত হয়ে যুদ্ধ যাোয়ার প্রস্তুতি নিতে থাকে।১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে জনাব মোসলেম উদ্দিন খান, জনাব শামসুদ্দিন খান, জনাব শাহজাহান মোল্লা, জনাব রেজাউল করিম তালুকদার, জনাব আব্দুস সালাম খান, জনাব শাহনেোয়াজ তোতা, জনাব রেজাউল করিম তারা জনাব বাদশা গোমস্তাসহ ২০ জনের প্রথম দল মাদারীপুর হয়ে আসাম সেক্টরের হিমালয়ের পাদদেশে অম্পিনগর প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে শিবচর ত্যাগ করেন।

     ১৯৭১ সালের ২৪ নভেমম্বর শিবচরের বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ শিবচর থানা আক্রমন করেন। ২৫ নভেম্বর ১৯৭১ সালে সন্ধ্যার পর শিবচর পাকিস্থানী বাহিনী মুক্ত হয়।শিবচরের উল্লেখযোগ্য সম্মুখ সমরের মধ্যে রয়েছে শিবচর থানা আক্রমণ, শিরুয়াইল গানবোট আক্রমন ো দত্তপাড়া আক্রমন।১৯৭১ সালের ১৬ মে হাতিরবাগান মাঠে স্থানীয় মুসলিম লীগ নেতারা মিটিং করে শিবচরে পাকিস্থানী বাহিনী আসবেনা বলে আশ্বস্ত করলেো পরের দিন শতাধিক হিন্দু বাড়ি পুড়িয়ে দেয় এবং অসংখ্য নারীকে ধর্ষণ করে।পাকিস্থানী বাহিনীর হিস্রতার চিহ্ন রয়েছে চরশ্যামাইল, গুয়াতলা বাহেরচর উমেদপুরসহ শিবচরের সর্বত্র।শিবচরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে অন্যতম শহীদ সালাম, শহীদ দেলোয়ার, শহীদ জাহাং্গীর, শহীদ ফিরোজ খান ো শহীদ আজিজ।

    শিবচরে মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৬৬ জন।এরমধ্যে সন্মানী ভাতাভোগী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৪১ জন।শিবচরবাসী আজীবন গর্ববোধ করবে বড়কেশবপুরের আব্দুস সালেক বীরউত্তমের মত একজন মুক্তি সেনানী জাতিকে উপহার দিয়ে।